27, February, 2017  ১৫ ফাল্গুন, ১৪২৩   12:44:18 PM
Weather Bangladesh, Dhaka 30 °C
ব্রেকিং নিউজ
 দেশীয় অস্ত্রসহ আন্তঃজেলা ডাকাত দলের ৪ সদস্য গ্রেফতার  খিলগাঁওয়ে দেশীয় অস্ত্রসহ গ্রেফতার ২  রাজধানীতে ৪৪ জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার  ট্রাফিক আইন অমান্য করায় ১৯ লক্ষাধিক টাকা জরিমানা ও ৪৭২৫টি মামলা
শিরোনাম
২০৩০ সাল নাগাদ ধূমপানে ৮০ লাখ মানুষ মারা যাবে
আপডেট: ২০:০০, জানুয়ারী ১১, ২০১৭

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার এক গবেষণায় বলা হয়েছে ধূমপানের কারণে ২০৩০ সাল নাগাদ ৮০ লাখেরও বেশী মানুষ মারা যাবে।  মঙ্গলবার (১০ জানুয়ারি) বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এবং যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় ক্যানসার ইনস্টিটিউটের এক যৌথ উদ্যোগে এ গবেষণা প্রকাশ করা হয়।

এতে বলা হয় মৃতদের মধ্যে ৮০ শতাংশ থাকবে নিম্ন এবং মধ্যম আয়ের দেশগুলোর। ধূমপানে সারাবিশ্বে বার্ষিক ১ ট্রিলিয়ন ডলারেরও বেশী খরচ হয়ে থাকে। ৭০ শতাংশ বিশেষজ্ঞের মতে এই খরচের কারণে প্রতিবছর উৎপাদন ক্ষমতা কমে পায় এবং জনস্বাস্থ্যে এর প্রভাব পড়ে।

অর্থনৈতিক এই অপচয় ভবিষ্যতে আরও বাড়বে। যদিও সরকারের হাতে তামাক ব্যবহার নিয়ন্ত্রণের উপায় রয়েছে তবে তারা তা কার্যকরভাবে ব্যবহার করছেনা। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তামাক নিয়ন্ত্রণ অর্থনৈতিক ইউনিটের প্রধান জেরেমিয়াস পল বলেছেন, "ধূমপান রোধের সবচেয়ে কার্যকারী উপায় হলো তামাকদ্রব্যের উপর কর আরোপ বৃদ্ধি করা।" তিনি আরও বলেন তামাকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণে এই পদ্ধতি সবচেয়ে কম ব্যবহার করা হয়।   

এ ব্যাপারে পল আরেকটু ব্যাখ্যা করে বলেন, কর বৃদ্ধির এই উপায়টি নিম্ন আয়ের দেশগুলোতে সবচেয়ে বেশী কার্যকর হতে পারে কেননা অর্থ ঐসব দেশে অনেক বড় একটি বিষয়। বর্তমানে নিম্ন আয়ের দেশগুলোতে সবচেয়ে কমদামে তামাকদ্রব্য পাওয়া যায়।

তামাকদ্রব্যে উপর নির্ধারিত অতিরিক্ত কর ধূমপান-বিরোধী প্রচারণা এবং এর ফলে রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের চিকিৎসায় ব্যবহার করা যেতে পারে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার এক পরিসংখ্যান অনুযায়ী ২০১৩-২০১৪ অর্থবছরে বিভিন্ন দেশের সরকার তামাকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণে ১ বিলিয়নেরও কম খরচ করেছে।  
এছাড়াও ধূমপান ধনী এবং গরিবের স্বাস্থ্যক্ষেত্রেও বৈষম্য তৈরি করে। তবে এই বৈষম্যের কারণ মূলত স্বাস্থ্যপরিসেবা। সিগারেটের ধোয়া বৈশ্বিক দূষণেরও অন্যতম কারণ কেননা প্রতিদিনই পৃথিবীতে ধূমপায়ীর সংখ্যা বাড়ছে।  

ধূমপায়ীর সংখ্যা যদি না কমে তাহলে শুধু চীনেই ২০৩০ সাল নাগাদ ২০ লাখ লোক মৃত্যুবরণ করবে। অবশ্য দেশটিতে কার্যকর ধূমপান-বিরোধী প্রচারণা খুব জলদিই শুরু হতে যাচ্ছে। বেইজিংয়ে সরকারী ভবনের ভিতরে ধূমপান করা অবৈধ। পাশাপাশি দেশটিতে একটি স্বেচ্ছাসেবী দলকে পাবলিক প্লেসে ধূমপায়ীদের জরিমানা করার ক্ষমতা প্রদান করা হয়েছে। সূত্র: সকালের খবর

 


পঠিতঃ ৩৭

মন্তব্যসমূহ

কোন মন্তব্য নাই।