27, February, 2017  ১৫ ফাল্গুন, ১৪২৩   12:42:14 PM
Weather Bangladesh, Dhaka 30 °C
ব্রেকিং নিউজ
 দেশীয় অস্ত্রসহ আন্তঃজেলা ডাকাত দলের ৪ সদস্য গ্রেফতার  খিলগাঁওয়ে দেশীয় অস্ত্রসহ গ্রেফতার ২  রাজধানীতে ৪৪ জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার  ট্রাফিক আইন অমান্য করায় ১৯ লক্ষাধিক টাকা জরিমানা ও ৪৭২৫টি মামলা
শিরোনাম
ডিমের বেশি পুষ্টি কথা
আপডেট: ১৯:২৮, জানুয়ারী ১০, ২০১৭

কারও প্রিয় হাঁসের ডিম, কারও মুরগির। অনেকে আবার আঁশটে গন্ধের কারণে হাঁসের ডিম মুখে তুলতে চান না। কারও আবার মুরগির ডিমে অরুচি। তবে, জনপ্রিয়তার কথা বললে কেউ কারও থেকে কম যায় না। কিন্তু স্বাস্থ্য সচেতনরা বুঝে উঠতে পারেন না কোন ডিম খাবেন। হাঁসের ডিম খেলে বেশি পুষ্টি, নাকি মুরগির ডিম খেলে ঝরবে মেদ। জেনে নিন কোন ডিম বেশি পুষ্টিকর।

 

আকার

মুরগির ডিমের তুলনায় হাঁসের ডিম আকারে বড় হয়। এ ছাড়াও হাঁসের ডিমের খোলা মুরগির ডিমের তুলনায় বেশি শক্ত হয়। যে কারণে হাঁসের ডিম ৬ সপ্তাহ পর্যন্ত খাওয়া যেতে পারে। যদিও, টাটকা ডিম খাওয়াই স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী।

আকারে বড় হওয়ার কারণে হাঁসের ডিমের কুসুমও বড় হয়। তাই যদি বেশি কুসুম খেতে চান বা আপনার শরীরে বেশি প্রোটিনের প্রয়োজন হয় তাহলে হাঁসের ডিম খান।

 

পুষ্টিগুণ

১০০ গ্রাম হাঁসের ডিম থেকে ১৮৫ কিলো ক্যালরি এনার্জি পাওয়া যায়। যেখানে ১০০ গ্রাম মুরগির ডিম থেকে পাওয়া যায় ১৪৯ কিলো ক্যালরি এনার্জি। কার্বহাইড্রেট ও মিনারেলের পরিমাণ সমান হলেও হাঁসের ডিমে প্রোটিনের পরিমাণ সামান্য বেশি থাকে। উভয়ের ডিমেই সেলেনিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ, দস্তা, তামা, পটাশিয়াম, সোডিয়াম, ফসফরাস, ক্যালসিয়াম, আয়রন থাকে। তবে হাঁসের ডিমে সব কিছুরই পরিমাণ কিছুটা বেশি থাকে।

 

হাঁস, মুরগি উভয়ের ডিমেই থিয়ামিন, নিয়াসিন, রাইবোফ্লোভিন, প্যান্টোথেনিক অ্যাসিড, ফোলেট, ভিটামিন বি৬, ভিটামিন ডি, ভিটামিন ই, ভিটামিন এ, ভিটামিন বি১২ ও রেটিনল থাকলেও হাঁসের ডিমে সব ভিটামিনের পরিমাণই বেশি থাকে।

 

এ বার আসা যাকে ফ্যাট প্রসঙ্গে। ১০০ গ্রাম হাঁসের ডিমে স্যাচুরেটেড ফ্যাটের পরিমাণ ৩.৬৮ গ্রাম, ১০০ গ্রাম চিকেনে স্যাচুরেটেড ফ্যাটের পরিমাণ ৩.১ গ্রাম। হাঁসের ডিমে মনোস্যাচুরেটেড ফ্যাটের পরিমাণ মুরগির ডিমের থেকে ৫০ শতাংশ বেশি। অ্যামাইনো অ্যাসিডের পরিমাণও হাঁসের ডিমে বেশি হলেও থ্রিওনিন, আইসোলিউসিন, ট্রিপটোফ্যান, লিউসিন, মিথিওনিন, লাইসিন, কিস্টিন, টাইরোসিন, ফেনিলালানিন, ভ্যালাইন, সেরিন, গ্লাইসিন, প্রোলিন, অ্যাসপারটিক অ্যাসিড, হিস্টিডিন, অ্যালানিন ও আর্জিনিন সব ধরনের অ্যামাইনো অ্যাসিডই মজুত মুরগির ডিমেও।

 

তাই হাঁসের ডিম বেশি পুষ্টিকর হলেও এই ডিমে কোলেস্টেরলের পরিমাণও বেশি থাকে। ১০০ গ্রাম হাঁসের ডিমে যেখানে কোলেস্টেরলের পরিমাণ ৮৮৪ মিলিগ্রাম, ১০০ গ্রাম মুরগির ডিমে কোলেস্টেরলের পরিমাণ ৪২৫ মিলিগ্রাম। তাই হার্টের সমস্যা থাকলে অবশ্যই দূরে থাকুন হাঁসের ডিম থেকে। যারা হাই প্রোটিন ডায়েট মেনে চলতে চান তারা কুসুম ছাড়া হাঁসের ডিমের সাদা অংশ খেতে পারেন।-আনন্দবাজার পত্রিকা


পঠিতঃ ৮৯

মন্তব্যসমূহ

কোন মন্তব্য নাই।